প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে।আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের সর্ববৃহৎ এই বার্ন ইনস্টিটিউটটি উদ্বোধন করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁনখারপুলে ইনস্টিটিউটের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এই আশা ব্যক্ত করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের প্রধান সমন্বয়ক ড. সামন্তলাল সেনসহ চিকিৎসকরা।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অত্যন্ত দক্ষতা ও দ্রুততার সঙ্গে ইনস্টিটিউটটি নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করছে। আমাদের সৌভাগ্য যে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় বার্ন ইনস্টিটিউট আমাদের দেশে হচ্ছে এবং ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারী ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের উদ্বোধন হবে।

তিনি বলেন, অগ্নিদগ্ধরা সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত ৫০০ শয্যার এই হাসপাতালটিতে এসে উন্নত সেবা নিতে পারবে। এদিকে আজ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং ন্যাশনাল আই কেয়ার-এর সাথে ভারতের অরবিন্দ ইনস্টিটিউটের দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।

অরবিন্দ হাসপাতালের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন অরবিন্দ আই কেয়ার সিস্টেমের নির্বাহী পরিচালক তুলশী রাজ রাভিলা এবং বাংলাদেশের ন্যাশনাল আই কেয়ারের পক্ষে লাইনডাইরেক্টর অধ্যাপক ডা. গোলাম মোস্তফা ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতালের পরিচালক ডা. সাইফুদ্দীন আহম্মদ।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, গোপালগঞ্জের শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতালকে কেন্দ্র করে দেশের সকল জেলার জন্য ‘ভিশন সেন্টার’ গড়ে তোলা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুপ্রেরণায় এই ‘ভিশন সেন্টার’ শুধু বাংলাদেশ নয় দক্ষিণ এশিয়ায় মানুষের অন্ধত্ব দূরীকরণে মাইলফলক হিসাবে ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ‘ভিশন সেন্টার’কে কেন্দ্র করে দক্ষিণ বঙ্গের ২১ জেলার ১২০ উপজেলায় আই ক্যাম্প ও প্রশিক্ষনের আয়োজন করে জনগণের জন্য চক্ষু চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। পর্যায়ক্রমে এই উদ্যোগ সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দীন মোঃ নূরুল হকসহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর এবং অরবিন্দ ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments