বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত  ৮ জনের মধ্যে ৬ জনকে রেহাই দিয়ে অন্য সাজা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: পুরান ঢাকায় নিহত বিশ্বজিৎ দাস হত্যা মামলায় বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত  ৮ জনের মধ্যে ৬ জনকে রেহাই দিয়ে অন্য সাজা দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে অন্য দুই জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে।

অাজ রোববার বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

গত ১৭ জুলাই এই মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের করা আপিল শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৬ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়।

২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত ওই হত্যা মামলায় ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবিএম নিজামুল হক। এরপর হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। সেই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে আসামিরা।

ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের দেয়া রায়ে মৃতুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো ছাত্রলীগ এর- রফিকুল ইসলাম শাকিল, মাহফুজুর রহমান নাহিদ, এমদাদুল হক এমদাদ, জি এম রাশেদুজ্জামান শাওন, সাইফুল ইসলাম, কাইয়ুম মিঞা টিপু, রাজন তালুকদার এবং মীর মো. নূরে আলম লিমন। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলো- এএইচএম কিবরিয়া, ইউনুস আলী, তারিক বিন জোহর তমাল, গোলাম মোস্তফা, আলাউদ্দিন, ওবায়দুর কাদের তাহসিন, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল-আমিন, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, মোশাররফ হোসেন ও কামরুল হাসান। এছাড়া তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়। এদের মধ্যে রাজন তালুকদার ও নূরে আলম পলাতক। বাকি ছয়জন কারাগারে আছে।

ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের দেয়া রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ১৩ জন হলো- এ এইচ এম কিবরিয়া, গোলাম মোস্তফা, খন্দকার ইউনুস আলী, তারেক বিন জোহর, আলাউদ্দিন, ওবায়দুল কাদের, ইমরান হোসেন, আজিজুর রহমান, আল আমিন শেখ, রফিকুল ইসলাম, মনিরুল হক পাভেল, কামরুল হাসান ও মোশাররফ হোসেন। এদের মধ্যে এস এম কিবরিয়া ও গোলাম মোস্তফা কারাগারে আছে। বাকি ১১ জন পলাতক।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx