নিউজটি পড়া হয়েছে 123

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ মন্ত্রণালয়ে বসে পর্যবেক্ষণ করবেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিব।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সেবার মান বাড়াতে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এবার বিমানবন্দরে স্থাপিত সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ মন্ত্রণালয়ে বসে পর্যবেক্ষণ করবেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিব। এ জন্য বিমানবন্দরের সিসিটিভি মনিটরিং কক্ষ থেকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় পর্যন্ত অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হচ্ছে।

জানা গেছে, সচিবালয়ে বিমানমন্ত্রী ও সচিবের কক্ষে বসে বিমানবন্দরের কার্যক্রম মনিটরিংয়ে সিসিটিভি সংযোগ স্থাপনে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের সহযোগিতা নিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছেন বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। চিঠিতে বলা হয়েছে, ভিডিও কনফারেন্সের জন্য বিমানের বলাকা ভবন থেকে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত কম্পিউটার কাউন্সিলের একটি অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ রয়েছে। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সিসিটিভি সংযোগ বিমান মন্ত্রণালয়ে স্থাপন করা যেতে পারে।

এদিকে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ে পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বিমানবন্দর এবং বিমানের ফ্লাইট/কার্গো হ্যান্ডলিং কার্যক্রমের বিষয় আইপি ক্যামেরার মাধ্যমে অনলাইনে সচিবালয় থেকে তদারকির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য বিমানমন্ত্রীর কক্ষ ও সচিবের কক্ষে দুটি ডিসপ্লে মনিটর স্থাপন করা হবে। সে ক্ষেত্রে রেন্টাল এমবিপিএস ডেডিকেটেড ডাটা কানেকটিভিটি প্রয়োজন। এতে প্রতিমাসে প্রায় ৩১ হাজার ২৫০ টাকা ভাড়া পরিশোধ করতে হবে বেবিচককে। তা ছাড়া ফাইবার অপটিক ক্যাবল, রাউটার, মনিটর, সিপিইউ ইত্যাদি সংগ্রহ করতে হবে। সবমিলে এই সিস্টেমটি স্থাপনে ৩ বছরের ভাড়াসহ খরচ হবে ২১ লাখ ১৭ হাজার ২১৮ টাকা।

এ বাস্তবতায় বিমানবন্দর এবং বিমানের ফ্লাইট/কার্গো হ্যান্ডলিং কার্যক্রম আইপি ক্যামেরার মাধ্যমে অনলাইনে সচিবালয় থেকে তদারকির জন্য ২১ লাখ ১৭ হাজার ২১৮ টাকা খরচ করে সিস্টেমটি স্থাপন করা হবে কিনা এ সংক্রান্ত নির্দেশনা চেয়েছে বেবিচক। সম্প্রতি বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এহসানুল গণি চৌধুরী চিঠি দিয়েছেন মন্ত্রণালয়ে।

সূত্র জানায়, শাহজালাল বিমানবন্দরের সেবার মান বাড়াতে প্রতিনিয়ত বৈঠক হচ্ছে। দফায় দফায় দিক-নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে সরকারের সংশ্লিষ্ট পর্যায় থেকে। একই ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকেও নিয়মিত তদারকি চলছে। আগামী ৫ আগস্ট এ নিয়ে বিমানবন্দরে আবারও বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) আবুল কালাম আযাদ।

এদিকে ইউরোপীয় কমিশনের সিদ্ধান্তের (২০১৫) আলোকে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো সব কার্গো ও মেইল কনসাইনমেন্ট ‘হাইরিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ বিষয়ক ঘোষণা ও গৃহীত ব্যবস্থাদি-সংক্রান্ত অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে বেবিচক। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে নেওয়া পদক্ষেপ নিয়ে একটি ব্রিফ ও প্রেজেন্টেশন তৈরি করে তা পাঠানো হয়েছে। ৫ পৃষ্ঠার বিবরণীতে বিশদ উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া বিমানবন্দরের সার্বিক মান উন্নয়নে মন্ত্রণালয় নিয়োজিত টাস্কফোর্সের কার্যক্রম চলমান বলে উল্লেখ করেছে বেবিচক। সূত্র: আ:স:

ফেসবুক মন্তব্য
xxx