বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তির দুই বছর আজ, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচিতে বদলে গেছে ছিটমহলের জীবনধারা।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তির দুই বছর পূর্তি হলো আজ। এই ঐতিহাসিক চুক্তির মধ্যদিয়েই দুদেশের মধ্যে বিনিময় হয় ১৬২টি ছিটমহলের। ৬৮ বছরের বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে রাষ্ট্র পরিচয় পায় এসব এলাকার বাসিন্দারা। যুগের পর যুগ অবহেলিত এসব জনপদের বাসিন্দারা দুই বছরে যেনো আলোর জগতে প্রবেশ করেছে। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি অনেকটাই বদলে দিয়েছে তাদের জীবনযাত্রা।

পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিলুপ্ত গারাতি ছিটমহল। বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হবার পর এ এলাকায় শুরু হয় উন্নয়ন। যোগাযোগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে চলছে একাধিক প্রকল্প। এরইমধ্যে শেষ হয়েছে কয়েকটি প্রকল্পের কাজ।

দুই বছর আগে এখানকার শিশুরা লেখাপড়া করতো মিথ্যা পরিচয়ে। এখন পঞ্চগড়ে বিলুপ্ত ৩৬ ছিটমহলের বাসিন্দাদের জন্য নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,পাকা সড়ক ও দেয়া হয়েছে বিদ্যুত সংযোগ।

ছিট বিনিময়ের দুবছর পূর্তিতে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব মেলাতে ব্যস্ত কুড়িগ্রামের বিলুপ্ত ১০টি ছিটমহলের বাসিন্দরা। এতো অর্জনের মাঝেও দাসিয়ারছড়া নামে ইউনিয়নের দাবিটি উপেক্ষিত তাদের। পাশাপাশি কষ্ট রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি অনুদান না পাওয়ার।

বিলুপ্ত ছিটবাসীদের মূলধারায় নিতে নানা ধরণের পদক্ষেপসহ নেয়া হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভূক্তের উদ্যোগ। বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

উন্নয়নের ছোঁয়ায় পাল্টে যাচ্ছে লালমনিরহাটের সদ্যবিলুপ্ত ৫৯টি ছিটমহলের চিত্রও। শেষ হয়েছে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তালিকা প্রণয়ন। তৈরি করা হয়েছে আশ্রয়ণ প্রকল্প।

২০১৫ সালে ৩১ জুলাই মধ্যরাত থেকে কার্যকর হয় বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি। এরমধ্য দিয়ে ১৬২টি ছিটের অধিবাসীরা ভারত ও বাংলাদেশের নাগরীকত্ব অর্জন করেন।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx