নিউজটি পড়া হয়েছে 83

হলি আর্টিজান হামলার পরিকল্পনাকারী রাশেদ আদালতে জবানবন্দি দিলেই মামলার চার্জশিট দেয়া হবে।

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: হলি আর্টিজান হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ আদালতে জবানবন্দি দিলে অথবা তাকে জিজ্ঞাসাবাদে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেলেই এই মামলার চার্জশিট দেয়া সম্ভব হবে।

আজ (শনিবার) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

গুলশান হামলায় রাশেদ অস্ত্র সরবরাহ এবং হামলাকারীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলো বলেও জানান তিনি। এদিকে রাশেদের পরিবার বলছে, গত বছরের জুলাই থেকে নিখোঁজ ছিলো সে।

২০১৪ সালে রাজশাহীর নিউ গভর্মেন্ট ডিগ্রি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্র অবস্থায় অনলাইনে জঙ্গি বিষয় ভিডিও দেখে উগ্রবাদে দীক্ষিত হয় আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ। পরে একটি বেসরকারি প্যারা মেডিকেলে পড়া অবস্থায় কথিত হিজরতের নামে ঘর ছাড়ে।

আর শরীফুল ইসলাম খালেদের মাধ্যমে তামিম চৌধুরীর সঙ্গে পরিচয় তার। অল্প দিনেই হয়ে ওঠে তামিম চৌধুরীর আস্থাভাজন। হোলি আটিজান হামলার পর ক্রমাগত স্থান পরিবর্তন করে, প্রথমে ছিলো গাজীপুরে।

পরে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে থাকে সে। পুলিশ বলছে, হোলি আর্টিজান হামলায় অস্ত্র সরবরাহ, তামিম চৌধুরীসহ হামলাকারীদের জন্য বাসা ভাড়ার দায়িত্ব ছিলো তার।

পুলিশ বলছে, রোহান ইমতিয়াজ, নিবরাসদের সঙ্গে হলি আর্টিজান হামলায় অংশ নেয়ার কথা ছিলো তারও। পরে তামিম চৌধুরী মত পরিবর্তন করে তাকে অন্য দায়িত্ব দেয়ার কথা বলে। এর আগে গুলশান ঘটনার হামলাকারীদের প্রশিক্ষণ দেয় রাশেদ ওরফে র‌্যাশ।

নিবরাসরা ঘর ছাড়ার পর তাদের দেখভালের দায়িত্বও ছিলো রাশেদের ওপর।

এদিকে পরিবার বলছে, রাজশাহীতে একটি ছাত্রবাসে থাকতো রাশেদ। এসময় সে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে থাকতে পারে।

কাউন্টার টেররিজমসহ পুলিশের বেশকটি ইউনিটের চেষ্টায় শুক্রবার ভোরে নাটোরের সিংড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেফতার হয় রাশেদ।

ফেসবুক মন্তব্য
xxx