নিউজটি পড়া হয়েছে 72

এই মুহূর্তে তারেক রহমানের কাছে বাংলাদেশের কোন বৈধ কাগজ নেই : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সিলনিউজটুয়েন্টিফোরডটকম ::: লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অভিবাসন স্ট্যাটাস নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য নেই বাংলাদেশের কাছে। তবে তার ব্যক্তিগত পাসপোর্টটি এখন বাংলাদেশ সরকারের কাছে।

একাধিক মামলার আসামি এবং সাজাপ্রাপ্ত এ রাজনীতিবিদকে ফিরিয়ে দিতে একাধিকবার বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হলেও গোপনীয়তার দোহাই দিয়ে যুক্তরাজ্য সরকার তা অগ্রাহ্য করে আসছে। সময় সংবাদকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

২ বছর পর লন্ডনে বেগম খালেদা জিয়া। যুক্তরাজ্যে বিএনপি চেয়ারপার্সনের এ সফর নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ ও গুঞ্জন। ধারনা করা হচ্ছে এ সফরে দলটির আন্দোলন, জাতীয় নির্বাচন, স্থায়ী কমিটির শূন্য পদ পূরণ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক লবিস্ট নিয়োগসহ নানা ইস্যুতে বেগম জিয়ার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে তারেক রহমানের।

আলোচনায় তাই তারেক রহমানও। বিএনপির নীতি নির্ধারক হিসেবে বিবেচিত তারেক দীর্ঘ ৯ বছর ধরে দেশের বাইরে। তার বিরুদ্ধে কয়েক ডজন মামলা চলমান। মুদ্রা পাচার মামলায় ৭ বছরের সাজা এবং ২০ কোটি টাকা জরিমানাও হয়েছে।

যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে ৩ বছর আগে জমা দেয়া পাসপোর্টটি লন্ডন হাইকমিশন হয়ে এখন ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। যার কারণে তারেকের কাছে বাংলাদেশের বৈধ কোন কাগজ নেই।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘প্রায় ৩ বছর আগে তার বাংলাদেশি পাসপোর্ট তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছেন। যুক্তরাজ্য সরকার সেটি বাংলাদেশ দূতাবাসে হস্তান্তরও করে দিয়েছে। এই মুহূর্তে তারেক রহমানের কাছে বাংলাদেশের কোন বৈধ কাগজ নেই।

যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে বাংলাদেশ অব্যাহতভাবে তারেককে ফিরিয়ে দেয়ার অনুরোধ জানালেও নানা অজুহাতে সেটিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না দেশটি।

এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আদালতের দ্বারা আদিষ্ট হয়ে আমরা যুক্তরাজ্য সরকারের কাছে একাধিকবার বলেছি তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সহযোগিতা করার জন্য। কিন্তু তারা যে ব্যাখ্যাটি দিয়েছেন সেটি আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

এর আগে নানা সময় বঙ্গবন্ধু, দেশের মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ইস্যুতে লন্ডনে মুখ খুলে আলোচনার জন্ম দিলেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, তাদের তৎপরতার কারণে যুক্তরাজ্য সরকারের অনুরোধে তারেক সাম্প্রতিক সময়ে তা থেকে বিরত রয়েছেন। সময় টিভি

ফেসবুক মন্তব্য