চট্টগ্রামের বৃহত্তম উড়ালসড়ক ‘আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার’ যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

সিলনিউজ২৪.কম: চট্টগ্রামের বৃহত্তম উড়ালসড়ক ‘আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভার’ যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হলো। শুক্রবার (১৬ জুন) বিকালে মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ৫৪ ফুট প্রস্থের ফ্লাইওভারটির এক পাশ খুলে দেওয়া হয়। ঈদের পর যান চলাচলের জন্য পুরোপুরিভাবে এটি উন্মুক্ত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এটি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

সিডিএ সূত্রে জানা যায়, আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারটির নির্মাণব্যয় ধরা হয় ৬৯৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে মূল অবকাঠামো তৈরিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫০ কোটি টাকা এবং র‌্যাম্প ও লুপ তৈরির কাজে ব্যয় করা হবে ২৪৬ কোটি টাকা। কাজের মেয়াদকাল ২০১৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত থাকলেও এর আগেই কাজ শেষ করা হয়। ফ্লাইওভারটি মুরাদপুর এন মোহাম্মদ কনভেনশন সেন্টারের সামনে থেকে শুরু হয়ে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের পশ্চিম গেটের সামনে হয়ে লালখান বাজারে এসে নেমেছে। সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, ঈদে যানজট কমাতে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ট্রাফিক বিভাগের অনুরোধে কাজের নির্ধারিত মেয়াদের আগেই ফ্লাইওভারটির এক পাশ খুলে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে যান চলাচলের জন্য মুরাদপুর থেকে লালখান বাজার আসার বাঁ পাশের দুই লেন খুলে দেওয়া হয়েছে। ঈদের পর যান চলাচলের জন্য পুরোপুরি এটি খুলে দেওয়া হবে। জানা যায়, গাড়ি চলাচলের সুবিধার্থে ফ্লাইওভারে ছয়টি র‌্যাম্প নির্মিত হচ্ছে। এর মধ্যে ফ্লাইওভারের জিইসি মোড়ে হবে চারটি র‌্যাম্প। সেখানে ওয়াসা থেকে জিইসি মোড়ের দিকের গাড়িগুলো জিইসি কনভেনশনের সামনে এবং মুরাদপুরের দিকে যাওয়া গাড়িগুলো ইফকো কমপ্লেক্সের সামনে থেকে ফ্লাইওভারে উঠতে পারবে। মুরাদপুর থেকে জিইসি মোড়ের দিকের গাড়িগুলো মেরিডিয়ানের সামনে নামতে পারবে এবং ওয়াসার দিকে যাওয়া গাড়িগুলো ব্লুজম গার্ডেনের সামনে থেকে উঠতে পারবে। ষোলশহর দুই গেট হয়ে বায়েজিদ রোডের দিকে দুটি লুপ থাকবে। একটি দিয়ে যানবাহন আসবে, অপরটি দিয়ে যাবে।

Facebook Comments