প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন।

সিলনিউজ২৪.কমঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি বাদশা সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সউদের আমন্ত্রণে আরব ইসলামিক আমেরিকান (এআইএ) সম্মেলনে যোগ দিতে ৪ দিনের সরকারি সফরে আজ রাতে রিয়াদের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট রাত ৮টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ত্যাগ করে।শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম তাঁকে বিমান বন্দরে বিদায় জানান।

বিমানটি স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১৫ মিনিটে বাদশাহ খালিদ আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছবে। সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ বিমান বন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন। পরে মোটর শোভযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রীকে রিয়াদের মোভেনপিক হোটেলে নিয়ে যাওয়া হবে।
সফরকালে শেখ হাসিনা মক্কায় হারাম শরীফে পবিত্র ওমরা পালন করবেন এবং মদিনায় হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত করবেন।

আরব ইসলামিক-আমেরিকান (এআইএ) সম্মেলন আগামীকাল সৌদি রাজধানীতে বাদশাহ আবদুল আজিজ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে। বিশের¦ অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীও সম্মেলনে যোগ দেবেন। তিনি গ্লোবাল সেন্টার ফর কমব্যাটিং এক্সট্রিমিস্ট থট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

শেখ হাসিনা ২২ মে সৌদি বাদশার আমন্ত্রণে ভোজসভায় যোগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারতের উদ্দেশ্যে বিমানে মদিনার উদ্দেশ্যে রিয়াদ ত্যাগ করবেন। ২২ মে বিকেলে তিনি জেদ্দার উদ্দেশ্যে মদিনা ত্যাগ করবেন।

বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর হারাম শরীফে পবিত্র ওমরা পালনের জন্য মক্কায় যাবেন। শেখ হাসিনা ২৪ মে দেশে ফিরবেন।

‘জয় আমাদেরই হবে’ এই শ্লোগান নিয়ে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলাও জঙ্গিদের অর্থায়ন খুুঁজে বের করার বিষয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ৫৬ আরব ও মুসলিম দেশের নেতারা এই সম্মেলনে যোগ দেবেন।

শেখ হাসিনা সম্মেলনে অনেকগুলো প্রস্তাব উত্থাপন করবেন। সম্মেলনের মূল বিষয় বৈশ্বিক সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় নতুন অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা, সহনশীলতা এবং সহাবস্থানের মূল্যবোধের প্রসার এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের উদ্যোগ জোরদার করা।

Facebook Comments