সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তকমা থেকে বেরিয়ে আসার ব্যর্থ চেষ্টা হিসেবেই বিএনপি ভিশন-২০৩০ : ড. হাছান মাহমুদ

সিলনিউজ২৪.কমঃ আন্দোলনের নামে ২০১৩,২০১৪ ও ২০১৫ সালে দেশব্যাপী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নৈরাজ্যের জন্য বিএনপির তিলকে ‘পেট্রোলবোমা-নৈরাজ্যের’ যে তকমা লেগেছ তা থেকে বেরিয়ে আসার ব্যর্থ চেষ্টা হিসেবেই বিএনপি ভিশন-২০৩০ ঘোষণা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার (১২ মে) সকালে ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হাসান মাহমুদ বলেন, বিএনপি দেশে-বিদেশে এখন সন্ত্রাস-নৈরাজ্য, যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক দল হিসেবে পরিচিত। বিএনপি নেত্রীর আঁচলের তলা পেট্রোলবোমা বাহিনী ও জঙ্গিদের আশ্রয়স্থল। কানাডার একটি আদালতও বিএনপিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে রায় দিয়েছে। তাই বিএনপি তাদের এ সকল তকমা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য জনগণের কাছে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্যই ভিশন ২০৩০ ঘোষণা করেছে। বিএনপির ভিশন ২০৩০ একটি অন্তঃসার শূন্য ও জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ভিশন ২০২১ ও ২০৪১ থেকে নকল করা একটি ভিশন।

বিএনপির ভিশন ২০৩০ এর সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, খালেদা জিয়া বলেছেন বাংলাদেশকে রংধনুর বাংলাদেশ বানাবেন। বস্তুত রংধনু যেমন কিছুক্ষণের জন্য আকাশে দেখা যায় আবার মুহূর্তেই হারিয়ে যায়, বিএনপির ভিশনও ঘোষণা পর্যন্ত এরপরেই হারিয়ে গেছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, ২০০৮ সালে নির্বাচনের পূর্বে আওয়ামী লীগ দেশবাসীকে যে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তা এখন বাস্তবতা। খালেদা জিয়া বলেছেন তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে অন্যতম রপ্তানিখাত হিসেবে গড়ে তুলবেন যে ঘোষণা শেখ হাসিনা আজ থেকে সোয়া আট বছর আগেই সে ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং শেখ হাসিনা তার সে ওয়াদাও রেখেছেন। তথ্যপ্রযুক্তি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানিখাত। খালেদা জিয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মাননার কথা বলেছেন যা জাতির সাথে তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ তিনি যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতকে নিয়ে জোট গঠন করেছেন, তাদের নিয়ে রাজনীতি করছেন। ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে খালেদা জিয়া সে যুদ্ধাপরাধীদের হাতেই আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক জাতীয় পতাকা তুলে দিয়েছিলেন। সুতরাং মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে তার এ বক্তব্য তামাশা ছাড়া আর কিছুই না।

Facebook Comments