নিউজটি পড়া হয়েছে 320

শুল্ক ফাঁকি ও মানিলন্ডারিং এর অভিযোগে মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে।

সিলনিউজ২৪.কমঃ ব্যবসায়ী প্রিন্স মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে শুল্ক ফাঁকি ও মানিলন্ডারিং এর অভিযোগে মোট ৩টি মামলা হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

রোববার (৭ মে) বিকেলে মুসা বিন শমসেরকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মামলার কথা জানান ।

শুল্ক ফাঁকি দিয়ে গাড়ী কেনার অপরাধে মুসা বিন শমসেরকে প্রধান আসামী এবং গাড়ি কেনায় সহযোগীদেরকে আসামী করে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তবে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানিয়েছেন ইতিমধ্যে তার সহযোগীদেরকে সনাক্ত করা হয়েছে।

মানি লন্ডারিং এর অভিযোগে যুক্তরাজ্যর নাগরিক ফরিদ নবিরকে প্রধান আসামী এবং মুসা বিন শমসেরকে দ্বিতীয় আসামী করে দ্বিতীয় মামলাটি করা হবে বলে জানায় এই কর্মকর্তা। উল্লেখ্য, ফরিদ নবিরের কাছ থেকে ৫০ লক্ষ টাকায় মুসা বিন শমসের শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বিলাস বহুল গাড়িটি ক্রয় করে।

তৃতীয় মামলাটি করতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন। দুর্নীতির মাধ্যমে বিআরটিএ এর সহযোগিতায় বিলাস বহুল গাড়ি ক্রয়ের জন্য বিআরটিএ এর সম্পৃক্ত কর্মকর্তাসহ মুসার বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে দুদক।

এর আগে দুপুর তিনটায় শুল্ক গোয়েন্দার তলবে কাকরাইলস্থ সদরদপ্তরে হাজির হলে তাকে পাঁচটা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি এই ধনকুবেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। জিজ্ঞাসাবাদে শমসেরের বিরুদ্ধে আনিত অভিয়োগের সত্যতা স্বীকার করে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ চান তিনি।

গত ২১ মার্চ শুল্ক গোয়েন্দার দল প্রিন্স মুসার গুলশানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শুল্ক ফাঁকি দেয়া বিলাসবহুল রেন্জ রোভার গাড়ি আটক করে।

গাড়িটি শুল্ক পরিশোধের ভূয়া কাগজ দিয়ে ভোলা বিআরটিএ থেকে জনৈক ফারুক উজ-জামান চৌধুরীর নামে রেজিস্ট্রেশন করানো হয়। গাড়িটি প্রিন্স মুসা বিন শমসের নিজে গাড়িটি ব্যবহার করে আসছিলেন। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর তার দখল থেকে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়।

তদন্তের সূত্রে গত ২০ এপ্রিল শুল্ক গোয়েন্দায় হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ দিলে প্রিন্স মুসা আংশিক পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে ‘বাকশক্তি হারিয়েছেন’ দাবি করে সময় প্রার্থনা করেন।প্রিন্স মুসার সময় প্রার্থনার আবেদন মন্জুর করে শুল্ক গোয়েন্দা ১৫ দিনের সময় দিয়ে আজ ৭ মে হাজির হতে সমন দেয়া হয়।

এর পূর্বে আলোচ্য শুল্ক ফাঁকির ঘটনাটি তদন্তের জন্য উপপরিচালক এইচ এম শরিফুল হাসানকে প্রধান করে দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

ফেসবুক মন্তব্য