জমে উঠেছে ব্রিটেনের নির্বাচন।

সিলনিউজ২৪.কমঃ জমে উঠেছে ব্রিটেনের নির্বাচন। রাজনৈতিক দলগুলো ভোটারদের আনুকূল্য পেতে চষে বেড়াচ্ছেন দেশটির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। লেবার, কনজারভেটিভ, এসএনপি, ইউকিপ, লিবডেমসহ প্রতিটি দল ভোটারদের মন জয় করতে নানা পরিকল্পনার কথা বলছেন। পাশাপাশি অন্য দলের সমালোচনায়ও চলছে সমানতালে।

পূর্ব লন্ডনে নির্বাচনী প্রচারকালে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি রুশনারা আলি অভিযোগ করেন, কনজারভেটিভ দল স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা খাত ধ্বংস করে দিয়েছে। লেবার দল ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশে দারিদ্র্য দূরীকরণ, জলবায়ু পরিবর্তনে কাজ করা এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াবে। যে দলই ক্ষমতায় আসুক আমি বাংলাদেশের পাশে ছিলাম এবং থাকব। বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতায় আমি এগিয়ে থাকব।

প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে স্কটল্যান্ডে প্রচার চালিয়েছেন। প্রচারকালে তিনি এসএনপির সমালোচনা করে ব্রিটেনের ঐক্যবদ্ধতা এবং শক্তিশালী নেতৃত্বের অপরিহার্যতা ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, নিকোলা স্ট্রার্জেনের নেতৃত্বে এসএনপি জয়ী হলে দ্বিতীয় রেফারেন্ডামের দিকে যাবেন। এর নেতিবাচক সম্ভাব্য সব দিকও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তেরেসা বলেন, বিভক্তি, চরমপন্থা আর বিভক্তের বিরুদ্ধে কনজারভেটিভের অবস্থান। তেরেসা মে বলেছেন, ঐক্যবদ্ধভাবে কীভাবে কাজ করব সেটাই আসল। আমরা দূরে ঠেলে দেওয়ার জন্য কাজ করছি না। স্কটল্যান্ডের দ্বিতীয় রেফারেন্ডাম নিয়ে আজকে আমরা আলোচনা করছি না, করছি কীভাবে একসঙ্গে এক হয়ে কাজ করব। তিনি এক টিভি ইন্টারভিউতে বলেন, নির্বাচিত হলে কনজারভেটিভ টোরি ভ্যাট বাড়াবে না।

লেবার দলের নেতা জেরেমি করবিন বিপক্ষ দলের প্রতি অভিযোগ তুলে বলেন, করজারভেটিভ দেশকে পেছনে নিয়ে যাচ্ছে। দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে একমাত্র লেবারকে ভোট দিতে হবে। তরুণদের সবাই ভোটার হতে হবে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার অভিযোগ করেছেন, জেরেমি করবিন দলকে ক্ষমতায় নিতে চান না। দলের মধ্যে তার আচরণ ক্ষমতাসীনদের মতো। আমি তাকে চিনি ও পছন্দ করি। তিনি বুদ্ধিমান। তিনি চাইলে সব কিছুই সম্ভব।

Facebook Comments