জেএমবি’র আইইডি বিশেষজ্ঞ বুয়েট ছাত্র জেনী গ্রেফতার।

সিলনিউজ২৪.কমঃ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থী ও জেএমবি’র আইইডি (ইম্প্রভাইজ এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) বিশেষজ্ঞ মুশফিকুর রহমান জেনীকে ব্যাপক পরিমাণ আইইডি এবং ইলেকট্রনিক সরঞ্জামাদিসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০ সদস্যরা ।

বুয়েট শিক্ষার্থী জেনী জেএমবি’র ‘সারোয়ার-তামীম’গ্রুপের আইটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করত। সাম্প্রতিক সময়ে ক্যান্টমেন্টের পাশ্ববর্তী কোনো এলাকার সরকারী ভবনে হামলার পরিকল্পনা করেছিল বলে জানান র‌্যাব-১০ অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি মো: জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর।

বুধবার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর কাওরান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে বিফ্রিংয়ে এসব তথ্য দেন তিনি।

জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তরার নিজ বাসা থেকে রিমোট কন্ট্রোল আইইডি ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক সরঞ্জামাদিসহ বুধবার সকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ঢাকার বাইরে আইইডি পরীক্ষামূলকভাবে বিস্ফোরণও করেছিল জেনী। মুশফিকের আরেক নাম মুশফিক মার্টিন জেনী। তার বাবা মৃত রফিকুল ইসলাম পেশায় স্বনামধন্য সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। জেনী বুয়েটের ২০০৫ ব্যাচের সিএসই’র শিক্ষার্থী। জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে এখনো ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী অর্জন করতে পারেনি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি নিয়মিত সে পরিশোধ করত।

উদ্ধারকৃত ব্যাপক পরিমাণ ইম্প্রোভাইস এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) এবং ইলেট্রনিক সরঞ্জামাদি।

তিনি বলেন, জেনীর জঙ্গিবাদে জড়ানো সম্পর্কে তার মা অবগত ছিলেন। কেন তিনি আইনশৃঙ্খলাবাহিনীকে জানাননি এমন প্রশ্নের জবাবে তার মা বলেন, তাকে ধরে ফেলার ভয়ে আমি জানাইনি। তবে আমি জানতাম, একদিন আপনারা তাকে ধরে ফেলবেন।

মার্চে সিলেটের দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ি এলাকার আতিয়া মহলে হামলার সময় জেনী কোনো ডিভাইস সরবরাহ করেছিল কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা জেনীকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করব, তখন এসব প্রশ্নের উত্তর বের হয়ে আসবে।

Facebook Comments