নিউজটি পড়া হয়েছে 20

দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে ১২ জন মারা গেছেন।

সিলনিউজ২৪.কমঃ দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে ১২ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে বরিশালের হিজলায় এক যুবলীগ নেতাসহ চারজন ও কিশোরগঞ্জের চারজন রয়েছেন। আহত হয়েছেন সাতজন। বুধবার রাত এবং বৃহস্পতিবার বিকেলে বজ্রপাতের এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলেন- হিজলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ইদ্রিস বেপারী (৪৫), মেমানিয়া ইউনিয়নের চর দুর্গাপুরে ইটভাটার শ্রমিক আমিনুর রহমান (৪০) এবং মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার গাগুলিয়া গ্রামের ইউসুফ খান (২৪) ও মারজান আকন (২৭)। পুলিশ জানায়, ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ইদ্রিস বেপারী ট্রলার নিয়ে শরীয়তপুর থেকে বুধবার বিকেলে হিজলার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঝড় শুরু হলে বজ্রপাতে তিনি ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে যান। বৃহস্পতিবার সকালে তার লাশ পাওয়া যায়। ইটভাটার শ্রমিক আমিনুর রহমানের বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগরে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আলিমাবাদ ইউনিয়নের শ্রীপুর বাজার সংলগ্ন কালাবদল নদীতে নৌকায় মাছ ধরছিলেন বাদুল আকন এবং তার দুই তাই ইব্রাহিম আকন ও নিজাম আকন এবং ইউসুফ খান ও মিন্টু আকন। এলাকার ইউপি সদস্য মেহেদী হাসান বেপারী জানান, বিকেল আনুমানিক ৪টায় ঝড়বৃষ্টি সময় বজ্রপাতে নৌকায় থাকা ইউসুফ ও মারজান মারা যান। আহত হন বাকি তিনজন।

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঢাকী ইউনিয়নের নতুনহাটি গ্রামে বৃহস্পতিবার দুপুরে বজ্রপাতে সুরমা খাতুন (৫০) নামে এক নারী মারা গেছেন। এ ছাড়া আগের দিন বুধবার রাতে বজ্রপাতে মারা যান ইটনা উপজেলার থানেসর গ্রামের মানিক মিয়া (৪৫) ও অষ্টগ্রাম সদর ইউনিয়নের করারবালা হাটির রিবাদ (৩০) এবং রহমত আলী (৬৫) নামে এক কৃষক। আহত হয়েছেন অন্তত তিনজন। তারা হলেন-রমজান, আরস ও নয়ন মিয়া। তিন উপজেলার পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

নেত্রকোণার মদন উপজেলার ফতেপুর গ্রামের ইকবাল নামের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্র বাড়ির সামনে আম কুড়াতে গিয়ে গত বুধবার সন্ধ্যায় বজ্রপাতে মারা গেছে। সে ফতেপুর গ্রামের রহিছ খানের ছেলে ও ছত্রকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্বরূপকাঠিতে বজ্রপাতে ছারছীনা মাদ্রাসার ছাত্র মাহামুদুল হাসান শায়েক মারা গেছে এবং একজন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ছারছীনা মাদ্রাসার সামনের গেটের হোটেলে খেতে যাওয়ার সময় তারা বজ্রপাতের শিকার হয়। তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহামুদুল হাসান শায়েককে মৃত ঘোষণা করেন। নাজমুল নামের অন্যজনকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শায়েক ছারছীনা মাদ্রাসার দ্বীনিয়া শাখার হাসতম (সপ্তম) শ্রেণির ছাত্র। সে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার বাঙ্কুরা এলাকার মহিউদ্দিন তালুকদারের ছেলে। আহত নাজমুল একই শাখার দাওরা দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তার বাড়ি বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায়।

ফেসবুক মন্তব্য
Share Button