নিউজটি পড়া হয়েছে 244

রাজধানীতে সিটিং, গেটলক বাস সার্ভিস বন্ধ হলেও নেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।

সিলনিউজ২৪.কমঃ মতিঝিল থেকে জিরানী পর্যন্ত সরকার নির্ধারিত ভাড়া ৩৬ টাকা। এতদিন ভাড়া নেওয়া হতো ৫০ টাকা। গতকাল রোববার থেকে সিটিং সার্ভিস বন্ধ হলেও ভাড়া কমেনি। অধিকাংশ বাসে আগের মতো ‘সিটিংয়ের’ ভাড়া নেওয়া হয়। রাজধানীর দশটি পয়েন্ট ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

মোটরযান আইনানুযায়ী, অবৈধ ‘সিটিং’, ‘গেটলক’ ও ‘স্পেশাল সার্ভিস’ বন্ধে অভিযানে নেমেছে সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। শুধু এসব অবৈধ সার্ভিস নয়, অতিরিক্ত ভাড়া, আইন ভেঙে সংযোজন করা আসন, বাম্পার, অ্যাঙ্গেল, হুক ও ক্যারিয়ারের বিরুদ্ধেও অভিযান চালান বিআরটিএর পাঁচটি ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান পরিদর্শনের সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, গণপরিবহনে শৃঙ্খলা না ফেরা পর্যন্ত অভিযান চলবে। গণপরিবহন মালিকদের সংগঠন ‘ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি’র পাঁচটি টিমও ছিল রাস্তায়। অভিযানের কারণে বাস চলেছে কম, তাই গতকাল যাত্রীদের সারাদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

বিআরটিএর পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) নাজমুল আহসান বলেন, অনেক গাড়ি ধরা পড়ার ভয়ে রাস্তায় নামছে না।

যাত্রীদের কিছুটা দুর্ভোগ হচ্ছে। এতে অভিযান বন্ধ হবে না। তিনি জানান, গতকাল অভিযানের প্রথম দিনে পাঁচটি ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১২২টি মামলা হয়। জরিমানা আদায় করা হয়েছে দুই লাখ ৯০ হাজার ৬০০ টাকা। লাইসেন্স না থাকায় চারজন চালককে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। জব্দ করা হয়েছে ফিটনেসবিহীন তিনটি গাড়ি।

গত ৪ এপ্রিল মালিক সমিতির সভায় সিদ্ধান্ত হয়, রুট পারমিটের শর্ত লঙ্ঘন করে তারা আর ‘সিটিং সার্ভিস’ চালাবেন না। সব বাসকে রুট পারমিট অনুযায়ী লোকালে রূপান্তরিত করতে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। গত শনিবার সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষও হুঁশিয়ারি দেয়, রুট পারমিটের শর্ত মেনে না চললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব বাসে ভাড়ার তালিকা থাকতে হবে, সে অনুযায়ী ভাড়া আদায় করতে হবে।

ফেসবুক মন্তব্য