ইলিয়াস মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের মানববন্ধন।

সিলনিউজ২৪.কমঃ বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম. ইলিয়াস আলী নিখোঁজের ৫ বছরে বিভাগীয় শহর সিলেটে ইলিয়াস মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

রবিবার (১৬ এপ্রিল) কর্মসূচির প্রথম দিনে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ইলিয়াস আলী নিখোঁজের প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও পরে মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দরা অভিযোগ করে বলেছেন- “সরকার জনগণের প্রতিবাদের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দিতেই ইলিয়াস আলীকে গুম করেছে। জনগণকে ভয় পায় বলেই ইলিয়াস আলী গুমের প্রতিবাদ করার সুযোগও সরকার দিতে চায় না। সমগ্র সিলেট বিভাগের জনগণকে সংগঠিত করে সরকারের পতন ঘটিয়ে ইলিয়াস আলী গুমের বিচার করা হবে।”

সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরা ইলিয়াস আলীকে ফিরিয়ে দেয়ার আন্দোলন জোরদার এবং সমগ্র দেশে আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়ার জন্য শপথ গ্রহণ করেন। এছাড়া ছাত্রনেতা ইফতেখার আহমদ দিনার, জুনেদ আহমদ, আনসার আলীসহ দেশের সকল নিখোঁজ নেতাদের ফিরিয়ে দেয়ার জোর দাবি জানান এবং অ্যাড. শামসুজ্জামান জামানের উপর দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারসহ সকল বন্দিদের মুক্তির দাবি জানান।
 
ইলিয়াস মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শেখ মখন মিয়া চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে ও সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক অ্যাড. এটিএম ফয়েজ এবং সংগ্রাম পরিষদ নেতা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের য্গ্মু আহ্বায়ক অধ্যাপক আজমল হোসেন রায়হানের পরিচালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাড. আশিক উদ্দিন, প্রবাসী বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান মুজিব, বিএনপি নেতা সুদীপ কুমার সেন বাপ্পু, শাহাজামাল নুরুল হুদা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক বিএনপি নেতা নাজিম উদ্দিন লস্কর, মহানগর বিএনপি নেতা কাউন্সিলর দিনার খান হাসু, জেলা জাসাস’র আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপি নেতা নুরুল কবির খোকন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অ্যাড. সাঈদ আহমদ, মহানগর মহিলা দলের সভাপতি অধ্যাপক সামিয়া জামান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক প্যানেল মেয়র রুকশানা বেগম শাহনাজ, জেলা মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাড. জহুরা জেসমিন, সহ সভাপতি আসমাউল হাসনা খান, সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর সালেহা কবির শেপী, বিএনপি নেতা মতিউল বারী চৌধুরী খুর্শেদ, জেলা মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলর আমিনা বেগম রুমি, জেলা জাসাস যুগ্ম আহ্বায়ক জয়নাল আহমদ রানু, সাবের আলী খান মুরাদ, বিএনপি নেতা কাজী মুহিবুর রহমান, আব্দুর রহমান, কাউন্সিলর আব্দুর রকিব তুহিন, শাহিদুল ইসলাম কাদির, আমিনুল হক বেলাল, দিপক রায়, নাজিম উদ্দিন, আলতাব হোসেন বিলাল, মিজানুর রহমান ডিপজল, মহিলা নেত্রী অ্যাড. জহুরা জেসমিন, আব্দুল হান্নান, খালেদুর রশিদ ঝলক, দিলাল আহমদ, তছির আলী, নাসির উদ্দিন, আবুল কালাম, মোস্তফা কামাল ফরহাদ, মিজানুর রহমান নেছার, লিটন কুমার দাস নান্টু, সিদ্দিক আলী, রেজওয়ান আহমদ, আমিনুল ইসলাম সাজু, সুমন শিকদার, আকবর হোসেন কয়ছর, সালমান চৌধুরী সাম্মি, হাসান আহমদ, নমিক আহমদ, দেওয়ান কামরান, অ্যাড. ইকবাল, এখলাছুর রহমান, গোলাম কিবরিয়া সাত্তার, জাহিদ খান, আব্দুল মতিন, বীরেন্দ্র শর্মা, সাজ্জাদুর রহমান সাজু, সুনাহর আলী সুহেল, মল্লিক আহমদ, দেওয়ান নিজাম খান, মিসবাহ উদ্দিন, মঈন উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন বতুল্লাহ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শামীম আহমদ লোকমান, আব্দুল খালিক মিল্টন, টিটন মল্লিক, জাহাঙ্গির চৌধুরী, নজরুল ইসলাম, ইমতেজার আলী, বদরুল আজাদ রানা, আবুল বাশার, ইফতেখার আহমদ সুহেল, ফাহিম রহমান মৌসুম, লাহিন চৌধুরী, শাহাজাহান চৌধুরী, আকবর হোসেন, আনোয়ার হোসেন সুজন, জাকারিয়া আহমদ, মিসবাউল আম্বিয়া, ইমরানুল ইসলাম জাসিম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সুমন আহমদ, ঝলক আচার্য্য, নুরুল আমিন, খয়ের পারভেজ, নুরুল ইসলাম রাহুল, নোমান মাহমুদ কাওছার, রায়হান এইচ খান, দেলোয়ার হোসেন, শাহ মুর্শেদ, হারুনুর রশিদ, আবু ইয়ামিন চৌধুরী, ইমরান আহমদ সেতু, জুয়েল আহমদ, ভুলন কান্তি তালুকদার, সুজন খান, শেখ শাহান তালুকদার, সিএমএ আরিফ, সাঈদ মেহেদি সাদি, ওমর ফারুক, আবুল হোসেন, আব্দুস সালাম, রেজাউল ইসলাম রেজা, আজিজ খান, লিমন আহমদ, মাসুম আহমদ শাফিন, মাতাব উদ্দিন, মাহি উদ্দিন আমিন, আলী হোসেন, এনাম উদ্দিন, জহির উদ্দিন, আমিন উদ্দিনসহ স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

Facebook Comments