নিউজটি পড়া হয়েছে 20

সিরিয়ার বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ছয় সেনা সদস্য নিহত।

সিরিয়ায় সরকারি বাহিনীর একটি বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে ছয় সেনা সদস্য নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষণ সংস্থা- সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস। পেন্টাগন বলছে, ভূমধ্যসাগরে অবস্থানরত দুইটি যুদ্ধজাহাজ থেকে ৫০টিরও বেশি টমাহক ক্রুজ মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, মঙ্গলবার আসাদ বাহিনীর এই বিমান ঘাঁটি থেকেই, রাসায়নিক হামলা চালানো হয়। 

সিরিয়ার স্থানীয় সময় শুক্রবার ভোরে ভূমধ্যসাগরে অবস্থানরত যুদ্ধজাহাজ থেকে ৫৯টি টমাহক ক্রুজ মিসাইল ছোঁড়ে ওয়াশিংটন। মার্কিন গণমাধ্যম বলছে, ইউএসএস পোর্টার ও ইউএসএস রোস দুটি যুদ্ধজাহাজ থেকে এ হামলা চালানো হয়েছে। 

এর পরপরই, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিসাইল হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জানান, সিরিয়ার যে ঘাঁটি থেকে রাসায়নিক হামলা চালানো হয়েছিল, ওই শেয়রাত বিমানঘাঁটিতে মিসাইল হামলা হয়েছে। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন,” সিরিয়ার স্বৈরশাসক বাশার আল আসাদ, নিরপরাধ বেসামরিক মানুষের ওপর ভয়ঙ্কর এক রাসায়নিক হামলা চালিয়েছে। অসহায় নারী, পুরুষ ও শিশুদের শ্বাসরোধ করে মেরেছে। এই হামলা যেখান থেকে চালানো হয়েছে, সিরিয়ার সেই বিমান ঘাঁটিতে সামরিক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি আমি”।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ সমর্থনের কথা জানিয়েছে মিত্রদেশ যুক্তরাজ্য। তবে মার্কিন মিসাইল হামলা, যুদ্ধের সূত্রপাত বলে মন্তব্য করেছে সিরীয় কর্তৃপক্ষ। সেইসঙ্গে ইদলিবে রাসায়নিক হামলা চালানোর কথা আবারও অস্বীকার করেছে দামেস্ক। 

অন্যদিকে, এ হামলাকে মার্কিন আগ্রাসন উল্লেখ করে, মস্কো- ওয়াশিংটন সামরিক সমঝোতা ভেঙে দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে রাশিয়া। 

সিরিয়ার বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ইদলিব প্রদেশের খান শেখু শহরে মঙ্গলবার রাসায়নিক গ্যাস হামলায় অন্তত ৮৬ জন নিহত হয়। এদের মধ্যে ২৬টি শিশু রয়েছে।

ফেসবুক মন্তব্য
Share Button