মিজান চৌধুরী বাসায় হামলার প্রতিবাদে সিলেটে বিএনপির বিক্ষোভ

সিলেট জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি, ৯০’র স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংগ্রামের সাহসী সৈনিক, সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান’র বাসায় ছাত্রলীগের কর্তৃক হামলার প্রতিবাদে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল সিলেট জেলা ও মহানগরের উদ্যোগে শুক্রবার বাদ আছর (৭ এপ্রিল) নগরীর দরগেইট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে চৌহাট্টা পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি, সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিমের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদের পরিচালনায় সমাবেশে বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য দিলদার হোসেন সেলিম বলেন, হামলা মামলার পরিণাম শুভ হবে না। যারা সিলেটের অতিত ইতিহাসকে ভেঙ্গে বিএনপির শীর্ষ নেতার বাসা হামলা চালিয়েছে তাদের জন্য এই দিন অপেক্ষমান। ছাত্র সংগঠনের মধ্যে মত বিরোধ থাকতে পারে কিন্তু সে জন্য বিএনপির র্শীষ নেতার বাসায় হামলা তা সিলেটবাসী বরদাস্ত করবে না। সঠিক সময় তার সঠিক জবাব দেবে সিলেটের ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। আওয়ামীলীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ কাপুরুষের মত বিএনপির শীর্ষ নেতার বাসায় হামলা চালিয়েছে যার নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। ছাত্রলীগ সিলেটের বিভিন্ন স্থানে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী, ভূমি দখলসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছে যা সিলেটবাসী অবলোকন করেছেন। যদি অবিলম্বে বিএনপির শীর্ষ নেতা মিজানুর রহমান চৌধুরীর বাসায় হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার না করা হয় সিলেটের মানুষ এধরনের নিন্দনীয় কাজের জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বদরুজ্জামান সেলিম বলেন- সিলেটের রাজনীতির একটি অতিত ইতিহাস রয়েছে যা এবার ছাত্রলীগ বিনষ্ট করতে মাঠে নেমেছে। তারা ধারাবাহিক ভাবে সিলেটের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করে দিয়েছে ভয়ে এখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে যেতে পারছে না ঠিক সেই মুহুর্তে সিলেটের রাজনৈতিক পরিবেশ ভয়ংকর রূপ দিচ্ছে।

এসময় আলী আহমদ বলেন- যারা সিলেট বিএনপি পরিবারের উপর হামলা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আজ সমগ্র বিএনপির পরিবার ঐক্যবন্ধ। হামলা কারীদের গ্রেফতার না করলে পারবর্তী কর্মসূচি ঘোষনা দিতে বাধ্য হবে।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আরো বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন- মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আজমল বক্ত সাদেক, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও নগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক জিয়াউল গণি আরেফিন জিল্লুর, রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, মাহবুব কাদির শাহী, সালেহ আহমদ খছরু, নজিবুর রহমান নজিব, আতিকুর রহমান সাবু, এমদাদ হোসেন চৌধুরী, হাজী মিলাদ আহমদ, লল্লিক আহমদ চৌধুরী, মুফতি নেহাল, রেজাউল করিম আলো, মির্জা লিটন, আজিজুর রহমান আজিজ, জাকির মজমুদার, শেখ মোহাম্মদ ইলিয়াস, গোলাম মেহাম্মদ চৌধুরী রুস্তুম, আমিনুর রহমান খোকন, জেবুল হোসেন ফাহিম, আব্দুস সত্তার আমিন, শাহ সাঈদুর রহমান হিরো, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাঈদ আহমদ, নুরুল ইসলাম রিমন, শুয়েব চৌধুরী, উজ্জ্বল রঞ্জন চন্দ,আলী আমজাদ প্রমুখ।

Facebook Comments