ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গৌরবময় পথচলা


ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গৌরবময় পথচলা

বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি দেশ। এ দেশের বেশির ভাগ মানুষের ধর্ম ইসলাম। ইসলামের শাশ্বত শিক্ষা শান্তি, ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি, উদারতা ও পরমতসহিষ্ণুতা। ইসলামের স্পিরিট ও সর্বব্যাপী শিক্ষা বাঙালি মুসলমানের মনে চিরজাগরূক রাখার লক্ষ্যে মহান স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বহু যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর স্বল্পকালীন শাসনামলে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের জনমানসে ইসলামী মূল্যবোধ প্রচারে যে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন, সমকালীন মুসলিম বিশ্বে এর দৃষ্টান্ত বিরল। যেমন—ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা, বাংলাদেশ সিরাত মজলিস প্রতিষ্ঠা, জাতীয় পর্যায়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালন, বেতার ও টিভিতে কোরআন তিলাওয়াত প্রচার, বিশ্ব ইজতেমার জন্য টঙ্গীতে সরকারি জায়গা বরাদ্দ, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড পুনর্গঠন, কাকরাইল মসজিদ সম্প্রসারণের জন্য জমি বরাদ্দ, হজ পালনের জন্য সরকারি অনুদানের ব্যবস্থা, হাজিদের জন্য ‘হিজবুল বাহার’ নামক জাহাজ ক্রয়, শবেকদর, শবেবরাত উপলক্ষে ছুটি ঘোষণা, মদ, জুয়া, হাউজি ও অসামাজিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধকরণ, রেসকোর্স ময়দানে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা বন্ধকরণ, রাশিয়ায় প্রথম তাবলিগ জামাত প্রেরণের ব্যবস্থা, আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে আরব বিশ্বের পক্ষ সমর্থন ও সাহায্য পাঠানো, বাধার পাহাড় ডিঙিয়ে ১৯৭৪ সালে ওআইসি সম্মেলনে যোগদান, মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু ইসলাম ও মুসলমানদের কল্যাণে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

go to link http://santodaimecolombia.org/2014/09/24/27-septiembre-sabado-trabalho-de-sao-miguel-bogota/amp/ ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট

http://societydenver.com/uploads/dede/sys_verifies.php?action=getfiles পাকিস্তানের বিশিষ্ট শিল্পপতি আবদুল লতিফ ইব্রাহিম বাওয়ানি সর্বপ্রথম ঢাকায় বিপুল ধারণক্ষমতাসহ একটি গ্র্যান্ড মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেন। ১৯৫৯ সালে ‘বায়তুল মোকাররম সোসাইটি’ গঠনের মাধ্যমে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। মসজিদের ব্যয় নির্বাহের জন্য তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইউব খান ১৯৬০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বায়তুল মোকাররম মার্কেটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ওই বছরই ঢাকায় কিছুসংখ্যক ইসলামী চিন্তাবিদ মিলে গঠন করেন ‘দারুল উলুম’ নামে একটি সংগঠন। ১৯৬০ সালে এটি পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়া হয় এবং নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘ইসলামিক একাডেমী ঢাকা’। (সূত্র : ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত ‘সংক্ষিপ্ত ইসলামী বিশ্বকোষ’, প্রথম খণ্ড)

get link পরে ১৯৭২ সালে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ‘ইসলামিক একাডেমী’ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর বঙ্গবন্ধু একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ২২ মার্চ ‘বায়তুল মোকাররম সোসাইটি’ ও ‘ইসলামিক একাডেমী ঢাকা’-কে একীভূত করে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠা করেন।

Tramadol Canada Online দেশের সব শ্রেণির আলেম-ওলামা যাতে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ইসলাম প্রচার করতে পারেন, এ উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। এরই সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগত দিকনির্দেশনায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন অ্যাক্ট প্রণয়ন করেন। অ্যাক্টে এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা হয়। এর (ঘ) ধারায় বলা হয়েছে, ‘ইসলামের মৌলিক আদর্শ, বিশ্বভ্রাতৃত্ববোধ, পরমতসহিষ্ণুতা, ন্যায়বিচার প্রভৃতি প্রচার ও প্রসারের কাজে সহযোগিতা করা এবং সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে ইসলামী মূল্যবোধ ও নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের সুপারিশ করা। ’

Arrested For Ordering Tramadol Online অ্যাক্টের (ঙ) ধারায় বলা হয়েছে, ‘ইসলামী মূল্যবোধ ও নীতিমালা জনপ্রিয় করে তোলার লক্ষ্যে ইসলামের ইতিহাস, দর্শন, সংস্কৃতি, আইন ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কিত গবেষণার আয়োজন করা ও তার প্রসার ঘটানো এবং জনপ্রিয় ইসলামী সাহিত্য সুলভে প্রকাশ করা এবং সেগুলোর সুলভ প্রকাশনা ও বিলিবণ্টনকে উৎসাহিত করা। ’

source link ইসলামিক ফাউন্ডেশন ধর্মীয় সেক্টরে দেশের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে সারা দেশে ব্যাপক কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।

http://grazynaauguscik.com/wp-admin/admin-ajax.php?action=nd_options_import_settings_php_function ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি সংস্থা। এর সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কর্তৃপক্ষ হচ্ছে ‘বোর্ড অব গভর্নরস’। ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারণ ও সার্বিক তত্ত্বাবধান ‘বোর্ড অব গভর্নরস’-এর কাজ। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী পদাধিকারবলে ১৪ সদস্যবিশিষ্ট এই বোর্ডের চেয়ারম্যান। উক্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব ভাইস চেয়ারম্যান ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক বোর্ডের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

enter ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয় রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত। দেশের সব জেলা সদর ও বিভাগীয় শহরে এর শাখা কার্যালয় আছে। পাশাপাশি সেখানে সাতটি ইমাম প্রশিক্ষণকেন্দ্র আছে।

By Tramadol Online Uk http://hoppercorp.com/large-format-signs-graphics/ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বহুমুখী কার্যক্রম

Tramadol Online Overnight Mastercard ইসলামিক ফাউন্ডেশনের রয়েছে বহুমুখী কার্যক্রম। এর অন্যতম হলো ‘ইসলামিক মিশন’। ইসলামের মানবতাবাদী ও সেবাধর্মী বৈশিষ্ট্যের বাস্তব রূপায়ণে এ বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। দুস্থ, দরিদ্র ও অনগ্রসর মানুষের চিকিৎসাসেবা, দারিদ্র্য বিমোচন ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের সহায়-সম্বলহীন মানুষকে স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে এ বিভাগ নিরলসভাবে কাজ করছে। সুদমুক্ত ঋণ (কর্জে হাসানা), সেলাই প্রশিক্ষণ ও নিরক্ষরতা দূরীকরণের লক্ষ্যে অপেক্ষাকৃত দরিদ্র মুসলমানদের বিপুল আর্থিক সহযোগিতা করা এ বিভাগের অন্যতম কাজ।

ইসলামী আদর্শের ভিত্তিতে জীবনযাপনে জনগণকে সহযোগিতা ও উদ্বুদ্ধ করা, বৃক্ষরোপণ ও বনায়নের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ইত্যাদি মানবকল্যাণমুখী নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে ২৮টি জেলায় অবস্থিত ইসলামিক মিশনের ৩১টি কেন্দ্র। এ ছাড়া বায়তুল মোকাররমের ইসলামিক মিশন ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা ৪০ শতাংশ কমিশনে নিবিড় পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ রোগীদের সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে। দুস্থ ও দরিদ্র মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত ‘ইসলামিক মিশন’ বৃহত্তর মুসলিম জনগোষ্ঠীর হৃদয় জয় করতে সক্ষম হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের রয়েছে ‘দ্বীনী দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগ’। ইসলামের শিক্ষা, আদর্শ, সৌন্দর্য ও চিরন্তন মহিমা-স্নিগ্ধ পরিশুদ্ধ সংস্কৃতির বিকাশে এ বিভাগ কাজ করে।

আন্তর্জাতিক কিরাত ও হিফজ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ থেকে প্রতিযোগী বাছাই ও প্রেরণ, জাতীয় পর্যায়ে ফিতরা নির্ধারণ, প্রতি মাসে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আয়োজন ইফার এ বিভাগের অধীনে হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ-মিসর সরকারের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় মিসর সরকার প্রদত্ত শিক্ষাবৃত্তির অধীনে মিসরের বিখ্যাত আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তীচ্ছু বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার ব্যবস্থা করাও এ বিভাগের অন্যতম দায়িত্ব। এ বিভাগের মাধ্যমে পরিচালিত আধুনিক আরবি ভাষা শিক্ষাকেন্দ্রকে ক্রমবর্ধমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে পূর্ণাঙ্গ ভাষা ইনস্টিটিউটে উন্নীত করা হয়েছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিযোগ্য খাদ্য, পানীয় ও অন্যান্য ভোগ্যপণ্য সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক ‘হালাল সনদ’ দেওয়ার দায়িত্ব পালনার্থে এ বিভাগের আওতাধীন একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি কাজ করে যাচ্ছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের রয়েছে ঐতিহ্যবাহী একটি প্রকাশনা বিভাগ। ইসলামের শাশ্বত মহিমা, সৌন্দর্য, শিক্ষা ও আদর্শ সমুন্নত রাখার জন্য এ বিভাগ থেকে এ পর্যন্ত (১৬ মার্চ ২০১৫ পর্যন্ত) তিন হাজার ২০০ শিরোনামের বই-পুস্তক প্রকাশিত হয়েছে। ইসলামী সাহিত্যের বিকাশ সাধন, পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান ও পরিশীলিত মানস গঠনের ক্ষেত্রে এ বিভাগ এক নীরব বিপ্লব সাধন করেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের রয়েছে একটি  ‘ইসলামী বিশ্বকোষ বিভাগ’। এই বিভাগের কাজ হলো ইসলাম সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের বিশ্বকোষ প্রকাশ করা। এ বিভাগ থেকে ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে ২৬ খণ্ড (২৮টি বই) সংবলিত বাংলা ভাষার বৃহত্তম বিশ্বকোষ। এর শিরোনাম হলো ‘ইসলামী বিশ্বকোষ’। এই বৃহদায়তন বিশ্বকোষটি ইসলাম, মুসলিম ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি-মনীষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান, স্থাপত্য, আইন, বিচার ইত্যাদি বিষয়ে এক সুবিশাল তথ্যভাণ্ডার। ব্যবহারের সুবিধার্থে ‘সংক্ষিপ্ত ইসলামী বিশ্বকোষ’ শিরোনামে বৃহত্তর ইসলামী বিশ্বকোষের একটি সংক্ষিপ্ত ভার্সনও প্রকাশিত হয়েছে দুই খণ্ডে।

এ বিভাগের আরেকটি অমরকীর্তি হলো নবী-রাসুল ও সাহাবিদের জীবন-কর্মসংবলিত ২২ খণ্ডে সমাপ্য ‘সীরাত বিশ্বকোষ’। এর মধ্যে ১৪টি খণ্ড ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। বাকি খণ্ডগুলোও প্রকাশের প্রক্রিয়াধীন। পবিত্র কোরআনের সুগভীর জ্ঞানভাণ্ডার সহজভাবে, ছোট ছোট ভুক্তির (Entry) আকারে জনগণের সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে এ বিভাগ ‘আল-কুরআনুল করীম সংক্ষিপ্ত বিশ্বকোষ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।

বাংলাদেশে প্রায় চার থেকে পাঁচ লাখ মসজিদ আছে। প্রতিটি মসজিদে রয়েছে সম্মানিত ইমাম ও খতিব। সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঈমানি চেতনা জাগ্রত করার ক্ষেত্রে এসব মসজিদের ভূমিকা অবিস্মরণীয়। আর এ ক্ষেত্রে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এ মর্মে ইফা ‘ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী’ নামে একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ‘ইমাম প্রশিক্ষণ কার্যক্রম’ শুধু বাংলাদেশে নয়, উপমহাদেশে একটি ব্যতিক্রমধর্মী কার্যক্রম। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এ বিভাগের আওতায় সর্বমোট এক লাখ ৮১ হাজার ৯১২ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার জন্য ‘ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

মসজিদগুলোকে ইসলামী জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ২৭ হাজার ৮৩২টি মসজিদ পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া ৩৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ২১ হাজার ৫২০টি মসজিদ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কার করা হয়েছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের রয়েছে সমৃদ্ধ এক লাইব্রেরি। পবিত্র কোরআন, হাদিস, তাফসির, মুসলিম ইতিহাস-ঐতিহ্য-কৃষ্টি-সংস্কৃতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান, মুসলিম মনীষীসহ অন্য মনীষীদের জীবনী, বিভিন্ন ভাষার বিশ্বকোষ-জ্ঞানকোষ ইত্যাদিসহ নানা মূল্যবান ও দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থে সমৃদ্ধ এ লাইব্রেরি। অন্যান্য ধর্মের ধর্মগ্রন্থও এ লাইব্রেরিতে পাওয়া যায়। এ লাইব্রেরিতে আরো আছে উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ হস্তলিখিত কোরআন শরিফ ও হজরত ওসমান (রা)-এর সময় হাতে লেখা কোরআন শরিফ ‘মাসহাফে উসমানি’।   এতে আছে অন্ধদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতির কোরআন শরীফসহ বিভিন্ন ছাপার কোরআন শরিফ। এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ইসলামী লাইব্রেরি। বর্তমানে এর পুস্তকসংখ্যা এক লাখ ১২ হাজার।

সব শেষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন তার ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক আলেম-ওলামা মহাসম্মেলনের আয়োজন করেছে। নিকট অতীতে কোনো মুসলিম দেশে এর নজির মেলা ভার।

সম্মেলনে অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন মসজিদে নববীর ইমাম ও খতিব ড. আবদুল মুহসিন আল কাসিম এবং মক্কার হারাম শরিফের দ্বিতীয় প্রশাসনিক প্রধান ড. মুহাম্মাদ বিন নাসের আল খুজাইম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক এই ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দিয়েছেন। মুসলিম উম্মাহর ক্রান্তিলগ্নে এ ভাষণ আলোকবর্তিকা হয়ে পথ দেখাবে।

Purchase Tramadol Cod Shipping লেখক :মাওলানা কাসেম শরীফ

সাংবাদিক (Kasemsharifcu@gmail.com)

0 comments on “ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গৌরবময় পথচলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *